আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং শীর্ষ তিন বোর্ড বিসিসিআই, ইসিবি ও সিএ একত্রে একটি সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। নির্বাসিত আফগান মহিলা ক্রিকেটারদের সমর্থনে আইসিসি একটি স্বতন্ত্র তহবিল ঘোষণা করেছে।
🧭 Table of Contents
- 💡 তহবিলের পেছনে মূল উদ্দেশ্য
- 🛑 এসিবির ওপর নয়, সরাসরি মহিলাদের সহায়তা
- 🌍 সীমান্তের বাইরে বৈশ্বিক সহায়তা
- 🧑🏫 ক্রিকেট ছাড়াও কোচিং ও শিক্ষা
- 🤝 ‘পিচ আওয়ার ফিউচার’ এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
- 🏏 ক্রিকেট বোর্ডগুলোর নৈতিক দায়িত্ব
- 🔚 উপসংহার: সাহসী নারীদের পাশে বিশ্ব ক্রিকেট
💡 তহবিলের পেছনে মূল উদ্দেশ্য
এই যৌথ উদ্যোগ ক্রীড়াঙ্গনে মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিকে গুরুত্ব দেয়। আফগান নারীরা তালেবানি নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারছে না।
তাদের কণ্ঠকে সমর্থন দিতেই এ উদ্যোগ। এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
🛑 এসিবির ওপর নয়, সরাসরি মহিলাদের সহায়তা
এই তহবিল এসিবির বার্ষিক বাজেট থেকে আলাদা। এসিবিকে কোনো আর্থিক শাস্তি দেওয়া হয়নি।
পুরুষ ক্রিকেট কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে। পাশাপাশি নারীদের জন্য তৈরি হবে সুযোগ।
🌍 সীমান্তের বাইরে বৈশ্বিক সহায়তা
এই উদ্যোগ কেবল আফগানিস্তান নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী নির্বাসিত ক্রিকেটারদের জন্য।
১৯ জন নারী এখন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। অনেকেই কানাডা, ইউকে-তে অবস্থান করছেন।
🧑🏫 ক্রিকেট ছাড়াও কোচিং ও শিক্ষা
ক্রিকেট শিবির ও ম্যাচ আয়োজনের পাশাপাশি থাকবে শিক্ষাগত সহায়তা।
লক্ষ্য শুধু খেলায় ফিরিয়ে আনা নয়, বরং তাদের সামগ্রিক বিকাশ।
🤝 ‘পিচ আওয়ার ফিউচার’ এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
এই অলাভজনক সংস্থা খেলোয়াড় যাচাই, পরিচিতি ও প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
তিন বছরের বাজেট ও ২০২৫ মহিলা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
🏏 ক্রিকেট বোর্ডগুলোর নৈতিক দায়িত্ব
বিসিসিআই, ইসিবি ও সিএ মিলে আইসিসির আয়ে ৫১% অবদান রাখে। এই সহায়তা কেবল অর্থ নয়, নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার প্রতীক।
বিশ্ব ক্রিকেট এখন শুধুই খেলা নয়, পরিবর্তনের মাধ্যম।
🔚 উপসংহার: সাহসী নারীদের পাশে বিশ্ব ক্রিকেট
যদিও তারা আন্তর্জাতিক ম্যাচে ফিরতে পারেনি, এই উদ্যোগ আশার আলো দেখাচ্ছে।
আইসিসি ও অংশীদারদের পদক্ষেপ ভবিষ্যতের জন্য এক শক্ত ভিত্তি স্থাপন করছে।
আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৫ বাছাইপর্বে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিল রিতু মনির বীরত্বপূর্ণ পারফর্মেন্স
☝🏻
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন
